আমের তালিকা

শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য, আমাদের কাছে প্রায় ১০০+ জাতের আম রয়েছে। কিন্তু কাষ্টমারের চাহিদা ও আমের গুনমান বিচার করে আমরা খুব সামান্য পরিমান আম সরাবরাহ করে থাকি। তবে বিশেষ কোন চাহিদা থাকলে আমরা যেকোন আম সরাবরাহ করতে সক্ষম। নিচের তালিকা থেকে আপনি আপনার আমটি পছন্দ করুন।

sundarban

গোপালভোগ আমঃ ৳৬৮ থেকে শুরু

sa paribahan

গুঠি আমঃ ৳৪৮ থেকে শুরু

korotoya

হিমসাগর আমঃ ৳৬৮ থেকে শুরু

korotoya

রাজলখনা আমঃ ৳৫৫ থেকে শুরু

korotoya

ফজলি আমঃ ৳৬০ থেকে শুরু

korotoya

ল্যাংড়া আমঃ ৳৬৫ থেকে শুরু

korotoya

লখনা আমঃ ৳৪৫ থেকে শুরু

janani

সুরমা ফজলি আমঃ ৳৭০ থেকে শুরু

sundarban

বোগলাগুঠি আমঃ ৳৬৫ থেকে শুরু

sa paribahan

মল্লিকা আমঃ ৳৬০ থেকে শুরু

korotoya

রাণিপছন্দ আমঃ ৳৬২ থেকে শুরু

korotoya

ক্ষিরসাপাত আমঃ ৳৭০ থেকে শুরু

korotoya

ঝিনুক আমঃ ৳৬৮ থেকে শুরু

korotoya

হাড়িভাংগা আমঃ ৳৬৮ থেকে শুরু

korotoya

আম্রপালি আমঃ ৳৭০ থেকে শুরু

janani

দিলসাদ আমঃ ৳৬০ থেকে শুরু

🎁

আমাদের প্যাক সমুহ

বাংলাদেশে আমরাই প্রথম আমের আধুনিক স্মার্ট প্যাক ব্যাবহার করে থাকি। এটির উদ্ভাবক আমরা এবং আমরাই এর সত্ব সংরক্ষন করি। বিশেষ এই প্যাকটিতে আম ৬দিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকে। এটি কুরিয়ার বান্ধব এবং অধিক চাপ সহ্য করার ক্ষমতা রাখে।

:: ২০ কেজি ফ্যামেলি প্যাক ::

  • ঢাকায় ২০ কেজি আমের প্যাক+কুরিয়ার খরচঃ ৳৪০০ টাকা। এর সাথে আমের দাম যোগ হবে। ঢাকনা সহ ক্রেট টি ফ্রি।
  • ঢাকার বাইরে যেকোন জেলায় ২০ কেজি আমের প্যাক+কুরিয়ার খরচঃ ৳৫২০ টাকা। এর সাথে আমের দাম যোগ হবে। ঢাকনা সহ ক্রেট টি ফ্রি।
  • sa paribahan
    .
    .
    .

    :: ২৫ কেজি মেগা প্যাক ::

  • ঢাকায় ২৫ কেজি আমের প্যাক+কুরিয়ার খরচঃ ৳৪৫০ টাকা। এর সাথে আমের দাম যোগ হবে। ঢাকনা সহ ক্রেট টি ফ্রি।
  • ঢাকার বাইরে যেকোন জেলায় ২৫ কেজি আমের প্যাক+কুরিয়ার খরচঃ ৳৬০০ টাকা। এর সাথে আমের দাম যোগ হবে। ঢাকনা সহ ক্রেট টি ফ্রি।
  • sa paribahan
    .
    .
    .

    :: ১২ কেজি মিনি প্যাক ::

  • ঢাকায় ১২ কেজি আমের প্যাক+কুরিয়ার খরচঃ ৳২৫০ টাকা। এর সাথে আমের দাম যোগ হবে। ঢাকনা সহ ক্রেট টি ফ্রি।
  • ঢাকার বাইরে যেকোন জেলায় ১২ কেজি আমের প্যাক+কুরিয়ার খরচঃ ৳৩২০ টাকা। এর সাথে আমের দাম যোগ হবে। ঢাকনা সহ ক্রেট টি ফ্রি।
  • sa paribahan

    আমাদের ব্যাবসা পরিচয়

    about-us-pic

    ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের নাম: আম বাগিচা

  • ট্রেড লাইসেন্স নং: 033/18/B1-CHACKKIRTY
  • হট লাইন: 01919 339944
  • হোলসেলস: 01712 339944
  • সেলস কেয়ার: 01612 339944
  • কুরিয়ার বা ট্রান্সপোর্ট সমস্যা: 01712 339955 (আম সিজন)
  • আমের কোয়ালিটি বিষয়ক অভিযোগ ও মতামত: 01612 339955 (আম সিজন)
  • এ্যাপস: Ambagicha.com/apps.zip
  • অনলাইন মার্কেট: Bikroy.com/Mangoes
  • ইউটিউব:Youtu.be/MangoRajshahi
  • ফেসবুক: www.facebook.com/FromRajshahi
  • ইমো/ভাইবার/হোটসআপ: 01919339944
  • ব্লগ: Fozli.com/blog
  • আমাদের প্যাকেজিং

    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan
    sa paribahan

    অর্ডার

    :: আমাদের কাছে আম কেনার পদ্ধতি ::

  • আমাদের ওয়েব পোর্টালে আপনার পছন্দনীয় আম টি সম্পর্কে আগে ভালো করে জানুন।
  • সরাসরি আমাদের হট লাইন নাম্বারে ফোন করে আমটির প্রাপ্ততা ও দাম নিশ্চিত করুন।
  • ইনভয়েস বা বিল পাবার পর আমাদের পেমেন্ট মাধ্যম ব্যাবহার করে অগ্রীম বিল পরিশোধ করুন।
  • আপনার পছন্দের আমটি হাতে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
  • sundarban
    sa paribahan
    korotoya
    janani

    পেমেন্ট সিস্টেম

    আপনার প্রয়োজনীয় আমের সম্পূর্ণ মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করে অর্ডার নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের পেমেন্ট মেথড:

    .

    মোবাইল ব্যাংকিং:

    বিকাশ :01919 339944(পারসোনাল)

    রকেট: 01712 339944 (পারসোনাল)

    নগদ: 01612 339944 (পারসোনাল)

    .

    :: লক্ষ্য করুন ::

    * উল্লেখিত পেমেন্ট মাধ্যম ছাড়া অন্য কোন একাউন্টে টাকা লেনদেন করবেন না।

    * বিকাশে লেনদেনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সাবধানতা অবলম্বন করুন।

    * মোবাইল লেনদেনে রেফারেন্স হিসেবে আপনার মোবাইল নাম্বার ব্যাবহার করুন।

    * মার্কেটিং অফিসারদের সাথে ব্যাক্তিগত সম্পর্কে জড়াবেন না। স্টাফ পরিচয়ে কারোর কথায় অন্য কোন একাউন্টে বা মোবাইল নাম্বারে টাকা লেনদেন করবেন না।

    * টাকা পাঠানোর আগে ও পাঠানোর পরে 01919 339944 নাম্বারে কল করে আপনার পেমেন্ট নিশ্চিত করুন।পেমেন্ট করার পর আপনার ঠিকানা উক্ত নাম্বারেই SMS বা কল করে আপনার অর্ডার নিশ্চিত করুন।

    payment-system

    .

    আম রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা

    আম জগতে কেবল আমরাই দিচ্ছি ১০০% রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা:

    কাঁচা পণ্যে রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দেবার উদাহরন খুবই কম।
    অগ্রীম টাকা পরিশোধ করে ২/৩ দিন অপেক্ষা করার পর যখন আমগুলো গ্রাহকের হাতে পৌছায় তখন যেন আনন্দের সীমা থাকে না। কিন্তু পরিবহন বা কুরিয়ার সার্ভিসের অবহেলার কারনে যখন আমগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তখন ক্ষতিগ্রস্থ আমগুলো গ্রাহক কে ভীষন কষ্ট দেয়।
    গ্রাহকের এ কষ্ট আমরা বুঝি।
    আর তাই শর্তসাপেক্ষে আমরা ১০০% আম রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দিয়ে থাকি।


    নিয়মাবলী:
    ১। শতভাগ রিপ্লেসমেন্ট পাবেন। এখেত্রে নষ্ট বা খাবার অনুপোযোগী আমগুলোকে আলাদা করে এর সঠিক পরিমাপ নির্নয় করুন।
    ২। 01919 339944 নাম্বরে কল করে আপনার অর্ডার নাম্বার বা কুরিয়ারের নাম+তারিখ+সিএন নাম্বার ও নষ্ট আমগুলোর নাম ও সঠিক পরিমাপ বলুন। আমের সংখ্যা না বলে আমের পরিমাপ বলুন।
    ৩। আপনার পরবর্তি অর্ডারের সাথে অতিরিক্ত আমগুলো পাঠানো হবে। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।


    :: লক্ষ্য করুন ::


    ১। রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা কেবলমাত্র পরিবহন বা কুরিয়ারে ক্ষতিগ্রস্থ আমগুলোর জন্য পাবেন।
    ২। আমগুলো কেমিক্যাল মুক্ত। তাই এর পচন প্রবনতা খুব বেশি। আমগুলোকে সঠিকভা্বে সংরক্ষন করুন। অসাবধানতার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ আমগুলোর কোন রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা নাই।
    ৩। মুল্য ফেরত বা কর্তন নাই। আমের স্টক সাপেক্ষে একই জাতের আম রিপ্লেসমেন্ট দাওয়া হবে। ঐ আমের স্টক শেষ হয়ে গেলে সমমুল্যের অন্য কোন আম দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে গ্রাহকের পছন্দ প্রাধান্য পাবে। গ্রাহক চাইলে অতিরিক্ত মুল্য যোগ করে তুলনামুলকভাবে বেশি মুল্যের আমও নিতে পারবে।

    আরজ: ১-২% ক্ষতি স্বাভাবিক। আর এজন্য মুলত আমরা দায়ী না। তাই অল্প কিছু ক্ষতিকে স্বাভাবিক মনে করে মেনে নিলে ভালো হয়।

    .

    .

    আম কেনার পর করনীয়

    আমগুলো গাছ থেকে নামানো হতে ট্রান্সপোর্ট বা কুরিয়ার পয়েন্টে পৌছানো পর্যন্ত আমাদের তত্ত্বাবধানে থাকে। এর পর এটা একরকম আমাদের আয়ত্ত্বের বাইরে চলে যায়। আর আম সিজনে কুরিয়ার সার্ভিস গুলো অতিরিক্ত চাপের কারনে তাদের সেবার মান ঠিক রাখতে পারেনা। ফলে আমগুলো হাতে পেতে একদিকে যেমন দেরি হয়, অন্যদিকে আমগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হবার সম্ভাবনাও থাকে।

    তাই আমগুলো হাতে পাবার পর নিন্মের বিষয়গুলো অতি যত্নের সাথে খেয়াল করুন:

    আমগুলো হাতে পাবার পর সবার আগে কি করবেন?

    কেমিক্যাল বিহীন আম গুলো অনেক সংবেদনশীল হয়। তাই উপযুক্ত সংরক্ষনের অভাবে আমগুলো আংশিক বা পুরোপুরি নষ্ট/পঁচে হয়ে যেতে পারে। তাই নিম্নে বর্নিত কিছু বিষয় অবশ্যই নজরে আনা দরকার:

    ১. আম গুলো হাতে পাবার পর যত দ্রুত সম্ভব আম গুলোকে কাটুন বা ক্যারেট থেকে বের করে ফেলতে হবে । আমের গায়ে ভেজা বা আদ্র ভাব দেখলে ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে তা আদ্রমুক্ত করতে হবে। ভেজা ঘামযুক্ত আমে এন্থ্রাকজন নামক ছত্রাক খুব সহজেই আক্রমন করে।
    ২. এর পর পরিষ্কার খড়/পাটের বস্তা/কাঠের তক্তা / মোটা পেপার বা কাটুন বিছিয়ে তার উপরে আম রাখাতে হবে । নিচের ঠান্ডা আবহাওয়া আম কে আধাপাকা-আধাকাঁচা করতে সাহায্য করে। ফলে আমগুলো টক ও খাওয়ার অযোগ্য হয়ে যায়। আম পাকার জন্য গরম এরং শুষ্ক ঘর বেছে নিন। এক্ষেত্রে বদ্ধ স্টোর রুম সবচেয়ে ভালো হতে পারে।
    ৩. পরিবহনের কারনে আঘাতপ্রাপ্ত আম গুলো আলাদা করে ফেলতে হবে । কারন এগুলো সবার আগে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
    ৪. আম পাকানোর জন্য AC রুম বা খোলা বারান্দা পরিহার করুন।
    ৫। আম গুলো দিনে কয়েকবার চেক করুন। চেক করতে আঙ্গুলের চাপ দিবেন না। ঠোঁকা দিয়ে পরীক্ষা করুন। টক-টক শব্দ মানে কাঁচা, ঠস-ঠস শব্দ মানে পাকা। নাকের সাহায্য নিন। ফরমালিন মুক্ত পাকা আমের একটা মনকাড়া সুন্দর সুগন্ধ আছে। আম পেকে গেলে দ্রুত খেয়ে ফেলুন। পাকা আম পঁচতে মাত্র কয়েকঘন্টা সময় লাগে।
    ৬। মিষ্টি আমগুলো কাঁচা অবস্থায় খুব বেশি টক থাকে । তাই আম পাকার সঠিক সময়ের আগে খেলে আমগুলো অবশ্যই টক লাগবে ।
    ৭। প্রয়োজনের বেশি আম পেকে গেলে আমের বোঁটা/মুখ কেটে পলিথিনে পুরে ফ্রিজে নরমালে রেখে দিন। ৫-৭ দিন স্বাভাবিক থাকবে। তবে সাবধান, বেশি দিন হলে পাল্ব/জুস হয়ে যাবে।
    ৮। কোন সমস্যা হলে সংকোচ ছাড়া সরাসরি ফোন দিন: 01712 339944 নাম্বারে।

    :: লক্ষ্য করুন ::

    ১। আম গুলোকে পানিতে ধুবেন না বা “হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট” করবেন না। এতে আমগুলো ঠিকমত পাকবেনা।
    ২। বাক্স, বালতি, ক্যারেটের মধ্যে বা আমের উপর আম গাদা রেখে আম পাকাতে দিবেন না।
    ৩। ঠান্ডা মেঝের উপর সরাসরি আম পাকাতে দিবেন না। এতে আমের অংশ বিশেষ কাঁচা থাকবে।
    ৪। আমের আঠা শরীরে লাগলে সাথে সাথে পানি/সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৮/১০ মিনিটেই এটা ক্ষত সৃষ্টি করে ফেলতে পারে। চোখে পড়লে ভয় পাবার কিছু নাই, সাথে সাথে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আরও শঙ্খামুক্ত হতে চাইলে পানি সহ বড় বালতিতে মুখ ডুবিয়ে পানির মধ্যে কয়েকবার চোখ খোলা-বন্ধ করতে থাকুন। ক্ষতির আশংকা দেখলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
    ৫। প্রয়োজনের বেশি আম পেকে গেলে আমগুলো ফ্রিজে রেখে দিন। সম্ভব না হলে আমের খোসা ছড়িয়ে আঠি ফেলে পাল্ব (আমের খাদাংশ) বানিয়ে ফ্রিজে রাখুন। পরে জুস/আমসত্ব বানানো যাবে। বড় প্লেট/বোল/হাঁড়িতে তেল মাখিয়ে তার উপর পাল্ব ঢেলে রোদে বা গ্যাসে শুকালেই আমসত্ত তৈরি হয়ে যায় যা বছরজুড়ে খাওয়া যায়।
    ৬। যেহেতু আমরা আমে কোন কেমিক্যাল ব্যাবহার করি না, তাই সামান্য কিছু আম ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। এটাকে স্বাভাবিক মনে করুন। আধাপাকা, আঘাতপ্রাপ্ত, নষ্ট আমগুলোর ভালো অংশগুলোকে ফেলে দিবেননা। এগুলোকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে পাকা আমের ন্যায় পাল্ব তৈরি করুন। মজাদার টক আমসত্ব তৈরি হবে যা শিশু বা মেয়েরা খুব পছন্দ করে।


    আম দ্রুত পাকাতে চাইলে যা করবেন:

    আমগুলো একটি কাগজের শপিং ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগের ভেতরে দশটি আমের জন্য ফরমালিন মুক্ত একটি আপেল/কলা/টমেটো রেখে দিন। কাগজের ব্যাগের মুখটি ভালোকরে বেঁধে দিতে হবে। এগুলো থেকে নির্গত “ইথিলিন” গ্যাস আম গুলোকে দ্রুত পাকাতে সাহায্য করবে। আম ভর্তি ব্যাগটি স্টোর রুমে বা গরম কোনো স্থানে রেখে দিতে পারেন। ০১ থেকে ০২ দিনের মধ্যেই আম গুলো খাবার উপযোগী হবে।


    আম দেরিতে পাকাতে চাইলে যা করবেন:

    পুষ্ট কাঁচা আম আশ্যাওড়া পাতা বা দাতন গাছ (এক প্রকার শ্যাওড়া পাতা) বা লাউ-কুমড়ার পাতা বা কলা পাতা দিয়ে ঢেকে রেখে দিলে অখবা কুসুম গরম পানিতে ৫-৬ মিনিট ধুয়ে বেশ কয়েকদিন সংরক্ষণ করা যায় ।


    আম বেশিদিন কাঁচা রাখতে চাইলে যা করবেন:

    লবণ মরিচ দিয়ে মাখিয়ে খাবার জন্য অথবা তরকারিতে ব্যাবহার করার জন্য অনেকে আমগুলোকে বেশিদিন কাঁচা রাখতে পছন্দ করে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত আমগুলোকে সরিষার তেল মাখিয়ে রেখে দিলে বেশ কয়েকদিন দিন কাঁচা থাকে। এছাড়াও বোঁটা কেটে ফ্রিজে ডিপে রেখে দিলেও অনেক দিন ভালো থাকে।

    আমাদের প্রতি আস্থা বাড়াতে আপনি চাইলে নিন্মের পদ্ধতি অবলম্বন করে আমগুলো পরীক্ষা করতে পারেন:

    ১। ফরমালিন যুক্ত আমে কক্ষনও মাছি বসে না। তাই পাকা আমে মাছির আগমন দেখলে আপনি নিশ্চিত যে আমে ফরমালিন বা কেমিক্যাল নাই।
    ২। আম গাছে থাকা অবস্থায় আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।
    ৩। কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আমগুলো অপরিপক্ক অবস্থাতেই পেড়ে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হয়। অতিরিক্ত কেমিক্যাল স্প্রে বিহীন পরিপক্ক আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।
    ৪। পরিপক্ক গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কার্বাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেওয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।
    ৫। হিমসাগর, আশ্বিনা, ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।৬। আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। কেমিক্যাল দেওয়া আম হলে কোনো গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।
    ৭। আম মুখে দেওয়ার পর যদি দেখেন যে কোনো স্বাদ নেই কিংবা আমে টক বা মিষ্টি কোনো ভাব নেই, বুঝবেন সে আমে কেমিক্যাল দেওয়া।
    ৮। আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেওয়া আমে এ মিষ্টি গন্ধ হবেই না।
    ৯। আমের গায়ে সাধারণত এক ধরনের সাদা পাউডারের মতো থাকে। যা পানিতে বা ফরমালিনে চুবালে চলে যায় । এটাও খেয়াল রাখুন।
    ১০। কেমিক্যালে পাকানো আম হলুদ না হয়ে সাদার মত রং ধারণ করে। অনেক সময় ক্রেতার নজর কাড়তে ও আমের গায়ে থাকা দাগ দূর করতে এক ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। কিছু আম আছে যে পাকলেও চামড়া সবুজ থাকে এরকম আম ক্রেতারা দেখেই কিনতে চায় না। তাই এরকম ক্রেতাদের ভুলের কারণেও কেমিক্যালের ব্যবহার হয়।